স্টাফ রিপোর্টার: জে এস সেলিম
১১৭ টি হেলথ কেয়ার মেডিসিনের মূল্য নির্ধারণের জন্য মন্ত্রণালয়ের একটি কমিটি থাকলেও অন্য সব ওষুধের মূল্য নির্ধারণের অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
এর আগে ২০১৯ ও ২০২১ সালে একইভাবে প্রায় ৫০ শতাংশ দাম বাড়ানো হয়েছিল বহু ওষুধের। এর পর ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে প্যারাসিটামল-সহ প্রায় ৮০০টি ওষুধের দাম বাড়ানো হয়।
বাংলাদেশের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এর খোঁড়া অজুহাত
দাম বেড়েছে ওষুধ তৈরির কাঁচামালের। তাই অ্যাস্থমা, গ্লকোমা, থ্যালাসেমিয়া, যক্ষ্মা ও মানসিক অসুস্থতার ওষুধ-সহ আটটি অবশ্য প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম অন্তত ৫০ শতাংশ বা তারও বেশি বৃদ্ধিতে অনুমোদন দিল কেন্দ্র। ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিকাল প্রাইসিং অথরিটি বা এনপিপিএ-র তরফে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, বাজার থেকে এই ওষুধগুলি যাতে উধাও না হয়ে যায়, তাই এই সিদ্ধান্ত।
ক্রেতারা বলছে জীবন রক্ষা করি ওষুধ দাম পাঁচ শতাংবাড়তে পারে। এটা যৌক্তিক কিন্তু ৪০ শতাংশ কোন কোন ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি হলে সেটি বাংলাদেশের মানুষের আয়ের সাথে ঠিক মানানসই নয়।
একজন ক্রেতা দুঃখ নিয়ে বললেন আগে এক মাসের ওষুধ একবারে কিনতাম এখন আসছি কবে কিনতে পারছি না।
বাংলাদেশের অধিকাংশ রোগীরাই আশা করছে সরকার এভাবে সহযোগিতা পূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।।



