নুরুল ইসলাম, গাইবান্ধা:
গাইবান্ধা চেম্বার অব কর্মার এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সাথে আতাঁত করে জনৈক এক ব্যক্তি নানা অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মের মধ্যে দিয়ে বানিজ্য মেলা পরিচালনা করে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বানিজ্য মেলা পরিপত্রের ৬ নং অনুচ্ছেদ ভঙ্গের দায়ে দ্রুত বন্ধের জন্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন মহল।
জানা গেছে, গাইবান্ধা জেলা শহরস্থ স্বাধীনতা প্রাঙ্গনে বানিজ্য মেলার আয়োজনের জন্য জনৈক মামুন নামে এক ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন থেকে অনুমোদন নেন।বিষয়টি “বানিজ্য মেলা পরিপত্র ” পরিপন্থী হওয়ায় বাধ সাজে চেম্বার অব কর্মাস এন্ড ইন্ডাস্ট্রি। তারা মহামান্য হাইকোর্ট কর্তৃক মেলাটি বন্ধের নির্দেশনা আনলে থমকে যায় বানিজ্য মেলার কার্যক্রম।
এরপর সুকৌশলে তিনি চেম্বার অব কর্মার এন্ড ইন্ডাস্ট্রিকে ম্যানেজ করে উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে চালিয়ে আসছেন এ বানিজ্য মেলা। ভুক্তভোগী জনসাধারণের প্রশ্ন ব্রীজ থেকে চৌধুরী হল মোড় পর্যন্ত রাস্তাটি একটি সংরক্ষিত রাস্তা। এ রাস্তার দু পার্শ্বে রয়েছে জেলার উর্ধতন কর্মকর্তাদের বসবাসের আবাসিক ভবন।ব্যস্ততম ছোট এ রাস্তার পাশে বানিজ্য মেলা পরিচালনায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে রোগীসহ সর্বসাধারণকে। অন্যদিকে বানিজ্য মেলার আয়োজন করা হয় সাধারনত বন্যা, দুর্ভিক্ষ ও মহামারি জনিত কারনে আত্বমানবতার কারনে।কিন্ত বর্তমানে কার স্বার্থ রক্ষার্থে নীতিমালা লংঘন করে কোন ক্ষমতা বলে চলছে এ বানিজ্য মেলা এমন প্রশ্ন সাধারণ জনগণের মনে নারা দিচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মেলায় নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আকাশচুম্বী। অনুমতি ব্যতিরেখেও রয়েছে অনেক ষ্টল, দোকানসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ভেজাল জিনিসপত্রে ভরপুর এ মেলায়। অব্যবস্থাপনা ও অনিয়ম দেখেও না দেখার ভান করছেন “ভোক্তা অধিকার” কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসন। তাই অতি দ্রুত অবৈধভাবে এ বানিজ্য মেলা বন্ধ করতে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন মহল।



