দুয়ারি কিং জালের প্রভাবে দেশিয় মাছ বিলুপ্তির দিকে জীবিকা নির্বাহকারী জেলেরা হতাশ

দুয়ারি কিং জালের প্রভাবে দেশিয় মাছ বিলুপ্তির দিকে জীবিকা নির্বাহকারী জেলেরা হতাশ

তানিন আফরিন
গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ

মৎস্য বিভাগের উদাসিনতায় গাইবান্ধার সর্বত্র চায়না দুয়ারি কিং জালের প্রভাবে দেশিয় প্রজাতির মাছ প্রায়ই বিলুপ্তির দিকে।দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে ব্রক্ষপুত্র নদে ও ছোট বড় ঘাগট নদীর বিভিন্ন প্রজাতির দেশিয় সুস্বাদু মাছ।গতকাল রোববার সরেজমিনে জানাযায়,চুম্মুকের মতো চায়নার তৈয়ারি দুয়ারি কিং কারেন্ট জালের অবাধ ব্যবহারে মা মাছসহ এমন কি মাছের ডিম ফুটে বের হওয়া পোনা মাছ গুলো নিধন করছে জেলেরা।ফলে বিলুপ্তির পথে অনেক মাছের প্রজনন। চায়নার তৈয়ারি দুয়ারি কিং কারেন্ট জাল দিয়ে জেলার ফুলছড়ি, সাঘাটা, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পূর্বাচলে ব্রক্ষপুত্র নদের প্রায় ৬০ কিলোমিটার নদে দুয়ারি কিং কারেন্ট জাল দিয়ে অবাদে মাছের প্রজনন, ছোট ও মাঝারি আকারের মাছগুলো জেলেরা নিধন করছে।সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মনমথ গ্রামের দেশিয় মাছ বিক্রেতা শুকুর আলী বলেন,চায়না থেকে আসা দুয়ারি কিং কারেন্ট জাল কারেন্টর মতো মাছ জালে টেনে নেয়।ছোট বড় যাই হোক না কেন,যদি পানিতে মাছ থাকে সেটি আটকা পরে।ছোট বড় মাছ আটকের বিষয়ে জানতে চাইলে নিজের ভাষায় বলেন,এ্যাতে হামার কি দোষ,গাইবান্ধা ও রংপুর মাকেটে ত্যো দোকানে ব্যেছতেছে।সেখানে ত্যো তোরা গুলা কিছু করার পান না।একই ভাষ্য ফুলছড়ি উপজেলার কাউখালি গ্রামের জেলে সুদির চন্দ্র বর্মনের।ব্যাটারি দিয়ে তৈয়ারি করা কিং কারেন্ট জালের সাহায্যে বড় মাছ ধরা পরলেও একেবারে নিধন হচ্ছে পোনা মাছগুলো। ফলে বিলুপ্তির দারপ্রান্তে দেশিয় প্রজাতির সুস্বাদু মাছ।এখন বর্ষাকাল ব্রক্ষপুত্র নদ ছাড়াও ঘাগট ও খালবিলে কিং কারেন্ট জালদ্বাড়া ছোট ছোট দেশিয় মাছগুলো মেরে বাজারে বিক্রয় করা হচ্ছে।এভাবে দেশিয় মাছের পোনা নিধন করা হলে আগামি দিনগুতে দেশিয় মাছ পাওয়াই যাবেনা মতামত দিচ্ছেন অনেকেই। এতে মৎস্য বিভাগ চায়নার কিং কারেন্ট জব্দের দৃশ্যমান কিছু না করেই নিরব ভুমিকা পালন করছেন।এবিষয়ে গাইবান্ধা জেলা মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুর রাশেদ বলেন,বিভিন্নভাবে সচেতনমূলক পরামর্শ প্রদান ও আইনানুগ ব্যবস্তা গ্রহন চলমান রয়েছে।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *