এই চুক্তির ফলে উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে। নেপালে উৎপাদিত জলবিদ্যুৎ ভারত ছাড়াও বাংলাদেশে রপ্তানির জন্য তারা অনেক দিন ধরেই সচেষ্ট ছিলেন। অবশেষে তা বাস্তবায়িত হতে চলেছে জানিয়ে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, এই চুক্তি বাস্তবায়নে আঞ্চলিক উপকার হচ্ছে। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে অঞ্চল উপকৃত হলে সেটাই হয়ে উঠে প্রকৃত প্রতিবেশি নীতি। বিনয় কোয়াত্রা বলেন, জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে সহযোগিতা ভারত ও অন্য দেশের গণ্ডি পেরিয়ে এ অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। সামগ্রিকভাবে সবাই উপকৃত হয়। ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল সবাই। আমাদের এই অঞ্চলে এর প্রাচুর্য রয়েছে। সুযোগের সেই সদ্ব্যবহারে সচেষ্ট হওয়াই সহযোগিতার ধর্ম।
এর আগে ২০১৮ সালে বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা বাড়াতে নেপালের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারকে সই করে বাংলাদেশ। ওই সমঝোতার আওতায় নেপাল থেকে ভারত হয়ে জলবিদ্যুৎ আমদানি ছাড়াও নেপালের বিদ্যুৎ খাতে বাংলাদেশের সরকারি বা বেসরকারি কোম্পানির বিনিয়োগের বিষয়গুলো রয়েছে। নেপালের রাজধানী কাঠমা-ুতে দেশটির জ্বালানি, পানি ও সেচ মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানে ওই সমঝোতা স্মারকে সই করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ও নেপালের জ্বালামি মন্ত্রী বর্ষা মান পুন অনন্ত।

Posted inব্যবসা ও উদ্যোক্তা রাজনীতি


