10:17 pm, Tuesday, 21 July 2026

ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নপত্র বিতরণ: কেন্দ্র সচিবসহ ৯ কর্মকর্তা অব্যাহতি

  • Reporter Name
  • Update Time : 05:53:58 pm, Thursday, 16 July 2026
  • 71 Time View

ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নপত্র বিতরণ: কেন্দ্র সচিবসহ ৯ কর্মকর্তা অব্যাহতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
গাইবান্ধার ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মাঝে ভুল সিলেবাসের প্রশ্নপত্র বিতরণের অভিযোগে কেন্দ্র সচিবসহ ৯ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। চরম দায়িত্বহীনতা ও অবহেলার কারণে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।জানা গেছে, ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের মাঝে ভুলবশত ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রণীত বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়।

কেন্দ্রটিতে মাত্র ১১ জন অনিয়মিত পরীক্ষার্থী থাকলেও, হলের দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অসতর্কতাবশত ৫০ জন নিয়মিত পরীক্ষার্থীকে ভুল প্রশ্নপত্র সরবরাহ করেন।বিষয়টি বোর্ডের নজরে আসার পর দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. বোরহান উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই অব্যাহতি আদেশ জারি করা হয়। দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস. এম. আসাদুল ইসলাম, ট্যাগ অফিসার ও ফুলছড়ি উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মনোয়ার হোসেন এবং হলের ৭ জন কক্ষ পর্যবেক্ষক রয়েছেন।শিক্ষা বোর্ডের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, পাবলিক পরীক্ষাসমূহ (অপরাধ) আইন, ১৯৮০ অনুযায়ী এই ধরনের ঘটনা চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার শামিল। পরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক ও কক্ষ পর্যবেক্ষকদের গাফিলতির কারণেই এই অনিয়ম ঘটেছে।এদিকে ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ যেন ক্ষুণ্ন না হয়, সে লক্ষ্যে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা বোর্ড। ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেওয়া নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্রসহ কেন্দ্র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সরাসরি দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে পরীক্ষার্থীদের যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা যায়। শিক্ষা বোর্ডের এই দ্রুত ও ইতিবাচক সিদ্ধান্তের পর ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

খোলাহাটিতে মাদক, জুয়া ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নপত্র বিতরণ: কেন্দ্র সচিবসহ ৯ কর্মকর্তা অব্যাহতি

Update Time : 05:53:58 pm, Thursday, 16 July 2026

ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নপত্র বিতরণ: কেন্দ্র সচিবসহ ৯ কর্মকর্তা অব্যাহতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
গাইবান্ধার ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মাঝে ভুল সিলেবাসের প্রশ্নপত্র বিতরণের অভিযোগে কেন্দ্র সচিবসহ ৯ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। চরম দায়িত্বহীনতা ও অবহেলার কারণে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।জানা গেছে, ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের মাঝে ভুলবশত ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রণীত বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়।

কেন্দ্রটিতে মাত্র ১১ জন অনিয়মিত পরীক্ষার্থী থাকলেও, হলের দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অসতর্কতাবশত ৫০ জন নিয়মিত পরীক্ষার্থীকে ভুল প্রশ্নপত্র সরবরাহ করেন।বিষয়টি বোর্ডের নজরে আসার পর দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. বোরহান উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই অব্যাহতি আদেশ জারি করা হয়। দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস. এম. আসাদুল ইসলাম, ট্যাগ অফিসার ও ফুলছড়ি উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মনোয়ার হোসেন এবং হলের ৭ জন কক্ষ পর্যবেক্ষক রয়েছেন।শিক্ষা বোর্ডের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, পাবলিক পরীক্ষাসমূহ (অপরাধ) আইন, ১৯৮০ অনুযায়ী এই ধরনের ঘটনা চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার শামিল। পরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক ও কক্ষ পর্যবেক্ষকদের গাফিলতির কারণেই এই অনিয়ম ঘটেছে।এদিকে ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ যেন ক্ষুণ্ন না হয়, সে লক্ষ্যে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা বোর্ড। ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেওয়া নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্রসহ কেন্দ্র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সরাসরি দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে পরীক্ষার্থীদের যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা যায়। শিক্ষা বোর্ডের এই দ্রুত ও ইতিবাচক সিদ্ধান্তের পর ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।